বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে সাংসদ মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেন, ‘রাস শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য। সৃষ্টি–স্রষ্টার মহামিলনের তাৎপর্য এই রাসলীলা। সৃষ্টিকে ভালোবাসলেই স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভ হয়। এই ঐহিত্যকে যারা আঘাত করতে চায়, তাদের ধর্মপ্রাণ মানুষ সম্মিলিতভাবে সমুচিত জবাব দেবে। বর্তমান সরকারও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরিফুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডায়াবেটিক ফুট সেন্টারের পরিচালক ডি সি রায়, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরুল হাসান, প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরুপ বকসী, রাজ দেবোত্তর এস্টেটের এজেন্ট রনজিৎ কুমার প্রমুখ।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, ১৭৫২ সালে মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাজপ্রথা অনুযায়ী শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর আগের দিনে নদীপথে কান্তজিউ বিগ্রহকে দিনাজপুর রাজবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। তিন মাস সেখানে থাকার পরে পূর্ণিমার এক দিন আগে ভক্তদের অংশগ্রহণে পায়ে হেঁটে কান্তজিউ বিগ্রহকে আবার কান্তনগর মন্দিরে আনা হয়। হিসাব অনুযায়ী, কান্তজিউ মন্দির প্রাঙ্গণে এবার রাস উৎসবের ২৬৯তম আসর।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন