বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা এই সাতজনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে আরও তিনজনের নাম রয়েছে। তাঁরা হলেন ভালুকা উপজেলার নাজিম উদ্দিন পাঠান (৫০) ও মিজানুর রহমান পাঠান (৪৫) এবং নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার রণজিৎ শীল (৩৫)। মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৮-১০ জনকে।

পুলিশ ও র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভালুকা উপজেলার ধামশুর মৌজার ধোবাজানের খাল ভরাট ও জমি নিয়ে জসিম উদ্দিন পাঠানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে স্থানীয় আর্টি কম্পোজিট নামের ডায়িং কারখানার মালিক আবদুর রাজ্জাকের। ওই বিরোধের জেরে গত বুধবার সকালে আবদুর রাজ্জাকের ওপর হামলা হয়। হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তাঁর ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ও বাঁ পা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে ঝুলে পড়ে। পরে হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাঁ পা কেটে ফেলা হয়েছে।

হামলার ঘটনায় গতকাল দুপুরে কারখানামালিকের ছেলে তৌফিকুর রাজ্জাক আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ভালুকা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার আগেই ঘটনার দিন বুধবার রফিকুল ইসলাম মুন্সী, মমিনুল ইসলাম ও শিরিন আক্তারকে আটক করেছিল পুলিশ। তারা বুধবার রাতে আসামি রুহুল আমীন পাঠান ও ইকবাল পাঠানকে আটক করে। আর গতকাল রাতে প্রধান আসামি জসিম উদ্দিন পাঠান ও মাসুম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

র‌্যাব-১৪ মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হান্নানুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রধান আসামি জসিম উদ্দিন পাঠান ভালুকা উপজেলার পারুলদিয়া গ্রামের তাঁর এক আত্মীয়র বাসায় লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে জসিম ও অপর আসামি মাসুম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে জসিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে একটি দা উদ্ধার করা হয়েছে। এই দা দিয়েই কারখানা মালিক আবদুর রাজ্জাককে কোপানো হয়েছিল। র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন