বিজ্ঞাপন

কারখানার মালিক সোহেল রানার দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাঁর ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রথম আলোর কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যতক্ষণ মুঠোফোনে চার্জ ছিল, ততক্ষণ কয়েকজন তরুণ ফেসবুকে অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য লাইভ করেছেন। লাইভ না করে একটু যদি আগুন নেভানোর চেষ্টা করতেন, তাহলে উপকার হতো।

বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফ আহম্মেদ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তিনি। কারখানার বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বাগমারার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনমাস্টার ইব্রাহিম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মেশিনের স্ফূলিঙ্গ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শ্রমিকদের কাছ থেকে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি। বাগমারা ও মোহনপুর ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা যৌথভাবে আগুন নেভানোর কাজ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন