বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, ‘ঈদে প্রত্যেকে তাঁদের পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পান। কিন্তু নানা কারণে যাঁরা বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কিংবা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে হাজতবাস করেন, তাঁরা পরিবারের সান্নিধ্য পান না। কিন্তু তাঁরা আমাদের সমাজের বাইরের কোনো জনগোষ্ঠী নন। তাঁরা আমাদেরই অংশ। এ জন্য আমরা তাঁদের সংশোধনের সুযোগ দিতে না পারলে তাঁরা অপরাধপ্রবণতা থেকে ফিরে আসার জন্য অনুপ্রাণিত হবেন না। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব রয়েছে একজন অপরাধপ্রবণ মানুষকে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে যে যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখা। এ জন্যই আমরা কারাগারের যাঁরা পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাঁদের মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এই উদ্যোগ নিয়েছি।’

অপরাধ সংশোধনী ও পুনর্বাসন সমিতির সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ জানান, ১৭০ জন পুরুষ কয়েদিকে লুঙ্গি, ৪৫ জন নারী কয়েদিকে শাড়ি এবং মা কয়েদিদের সঙ্গে থাকা ৮ শিশুকে নতুন পোশাক তুলে দেন অতিথিরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন