বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বগুড়া আদালত পুলিশের পরিদর্শক সুব্রত চ্যাটার্জি জানান, গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে অন্য আসামির সঙ্গে রউফকেও বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। রাত ১০টার দিকে রউফ কারাগারেই ছিলেন।

default-image

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক আবদুল মালেক বলেন, রউফের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সচল মানে তিনি হয়তো কারাগারেই মুঠোফোন ব্যবহার করছেন অথবা তাঁর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড অন্য কারও কাছে আছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বগুড়া সাইবার পুলিশের পরিদর্শক এমরান মাহমুদ বলেন, কারাগারে থাকা হত্যা মামলার আসামির ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর অনেকেই স্ক্রিনশট পাঠিয়ে জানতে চেয়েছেন আসলেই কারাগারে বসে ফেসবুক ব্যবহার করা হচ্ছে কি না। প্রযুক্তির সহায়তায় তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে আজ মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বগুড়া কারাগারের জেলার এস এম মহিউদ্দিন হায়দার প্রথম আলোকে বলেন, কারাগারে জ্যামার রয়েছে। ভেতরে ইন্টারনেটের সংযোগও ধীরগতির। কোনো আসামিকে কারাগারে নেওয়ার সময় শরীর তল্লাশি করা হয়। করোনার কারণে ফটকের কাছেই গোসল করিয়ে পুরোনো কাপড় বাইরে রেখে ভেতরে নেওয়া হয়।

মহিউদ্দিন হায়দার বলেন, ব্যাগ তল্লাশি করে পরে কয়েদির কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। কাজেই কারাগারে বসে মুঠোফোনে ফেসবুক চালানো অসম্ভব ব্যাপার। রউফের ফেসবুক সচল থাকার বিষয়টি রাতেই তিনি জেনেছেন।

গত ১১ মার্চ ধুনট উপজেলায় ছাত্রলীগের সমাবেশে যাওয়ার পথে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তাকবীর ইসলাম খানের মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফের মোটরসাইকেলের। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে ওই দিন সন্ধ্যায় শহরের সাতমাথায় তাকবীরের ওপর হামলা হয়।

১৬ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যান তাকবীর। মারা যাওয়ার আগে একটি ভিডিও বার্তায় তাকবীর বলে যান, সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ নিজেই চাপাতি দিয়ে তাঁকে আঘাত করেছেন।

হত্যাকাণ্ডের চার মাস পর গতকাল বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন রউফ। বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন