বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাড়ছে ব্যয়

প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৯৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ২০১৮ সালে অনুমোদনের সময় প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয় ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা। কিন্তু গত তিন বছরে অধিগ্রহণের জন্য সম্ভাব্য জমির দাম কয়েক গুণ বেড়েছে। অন্যদিকে ২০১৭ সালে পাস হওয়া ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল বিল-২০১৭’ আইনেও জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ দেড় গুণ থেকে বৃদ্ধি করে তিন গুণ করা হয়েছে। রেলওয়ে সূত্রগুলো বলছে, এসব কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ বাড়বে।

ভারত সরকারের ৩ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা ঋণ ও বাকি ২ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ হওয়ার কথা। রেলওয়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ভারতের তৃতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) ঋণে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর পরামর্শক নিয়োগ করতেই কেটে যায় তিন বছর। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রকল্পে ভারতীয় দুই প্রতিষ্ঠানকে পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। রেল ভবনে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান রাইটস ইন্ডিয়া লিমিটেড ও আরভি ইন্ডিয়ার সঙ্গে ৯৭ কোটি টাকার চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই পরামর্শক দলের সদস্যদের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করার কথা।

কমবে দূরত্ব

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বগুড়া থেকে ঢাকায় যেতে রেলপথে দূরত্ব কমবে ১১২ কিলোমিটার। এতে উত্তরবঙ্গের ১১ জেলার মানুষের ট্রেনে যাতায়াতে ভোগান্তি কমবে। প্রকল্পের সুবিধাভোগী ১১ জেলার মধ্যে রয়েছে রাজশাহী বিভাগের বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ এবং রংপুর বিভাগের ৮ জেলা।

প্রকল্পের পরিচালক আবু জাফর মিঞা বলেন, এই পথে ট্রেন ভ্রমণে যাত্রীদের অন্তত ৩ ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে। বর্তমানে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার কমলাপুরগামী ট্রেন পাবনার ঈশ্বরদী হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করে। বগুড়া-ঢাকা রেলপথে বর্তমান দূরত্ব ৩২৪ কিলোমিটার। নতুন রেলপথ নির্মাণ হলে এ দূরত্ব হবে ২১২ কিলোমিটার।

প্রকল্প অনুযায়ী বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রানীরহাট স্টেশন থেকে দুটি সংযোগ রেলপথ নির্মাণ হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন