বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, ‘টিকা আনা, দেওয়া এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের যাতায়াত, খাওয়াদাওয়াসহ সব মিলিয়ে একটা খরচ আছে। তার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে স্কুলের ফান্ড থেকে টাকা দিতে বলা হয়েছে। তবে টিকা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার কথা নয়।’

তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এই টাকা নিয়েছে জানালে জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, ‘এ বিষয়ে খোঁজ নিয়েছি। বেশির ভাগ স্কুলই নিজেদের বাণিজ্যের কথা ভেবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলেছে। আমরা তো কর্মকর্তা, নার্স ও সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন খরচের জন্য চেয়েছি।’

বিনা মূল্যের টিকার বিনিময়ে এভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও টাকা তোলার নিয়ম আছে কি না, জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, ‘নিয়ম তো অনেক কিছুরই নাই। নিয়মের বাইরেও তো কিছু করা লাগে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আল বেলাল বলেন, টাকা নেওয়ার বিষয়টি তাঁর জানা নেই। টিকা দেওয়ার এত চাপের মধ্যে এসব ‘খবর নেওয়ার সময়ও’ তাঁর নেই।

জেলা সিভিল সার্জন খাইরুজ্জামান বলেন, টিকা বাবদ টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ টাকা নিয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন