বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইদ্রিস, আসাদুজ্জামানসহ বেশ কয়েকজন বৃহস্পতিবার রাতে ভারত থেকে গরু নিয়ে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আসছিলেন। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের গোড়ল ইউনিয়নের সেবকদাস গ্রামের বুড়িরহাট সীমান্তের ৯১৭ মেইন পিলারের অধীন পাঁচ নম্বর সাব–পিলার এলাকায় পৌঁছলে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার সিতাই থানার গুনজরির চওড়া বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। এ সময় ইদ্রিস ও আসাদুজ্জামান গলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তাঁদের লাশ সীমান্তের ভারতীয় অংশে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘এলাকার লোকজনের কাছ থেকে ঘটনাটি শুনেছি।’

গোড়ল ইউনিয়নের বুড়িরহাট সীমান্ত বিজিবি ক্যাম্পের সরকারি মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বিপরীত দিক থেকে বলা হয়েছে, সীমান্তে দুজন নিহত হওয়ার কথা তাঁরাও জেনেছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের মুঠোফোনে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ফোন করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিপরীত দিক থেকে নিজের পরিচয় না দিয়ে অন্য একজন বলেন ‘স্যার এখন জরুরি মিটিংয়ে আছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন