মামলাগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৫ সালে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামের ২ হাজার ৫৫ বস্তা গম কালোবাজারে বিক্রি করে দেন ওই গুদামের সাবেক খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মতিন। তাঁর বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার পাগলা এলাকায়। কালোবাজারে গম বিক্রির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ওই বছরের ১১ অক্টোবর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবদুল ওয়াহেদ বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, কালোবাজারে বিক্রি করা ২ হাজার ৫৫ বস্তায় গমের পরিমাণ ছিল ১৭৫ দশমিক ৩৮ মেট্রিক টন। তখন ওই গমের বাজারমূল্য ছিল ১৩ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৫ টাকা। অন্য মামলায় বলা হয়, ১৯৯০ থেকে ৯৪ সাল পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা থাকাকালীন আবদুল মতিন কালোবাজারে আরও ৩৩৪ বস্তা গম একইভাবে বিক্রি করে দেন। মামলায় গমের পরিমাণ ২৬ দশমিক ৬৩ মেট্রিক টন বলে উল্লেখ করা হয়। যার বাজারমূল্য ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৭৭৯ টাকা।

এ ঘটনায় ১৯৯৬ সালের ১৭ নভেম্বর নীলফামারী দুদকের কর্মকর্তা এ বি এম আবদুস সবুর বাদী হয়ে আবদুল মতিনকে আসামি করে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫২ ধারার অপরাধের অভিযোগে আরও একটি মামলা করেন।

পৃথক দুটি মামলায় আসামি আবুদল মতিনকে ৭ বছর করে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ২ মামলায় ৫ হাজার করে মোট ১০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। রায়ে বলা হয়, মামলায় আসামি যদি আগে হাজতবাস করে থাকেন, তাহলে সাজার মেয়াদ থেকে সেই সময় বাদ যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন