বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাতইল ইউপি ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ হোসাইন ও সুলাইমান।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সেলিম সরদার বলেন, দুপুর ১২টার দিকে নৌকার প্রার্থী বি এম হারুন অর রশিদ তিন শতাধিক লোকজন নিয়ে এসে কেন্দ্র দখল করেন। এ সময় তাঁরা ১৫০টি ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেন।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সেলিম সরদার বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে নৌকার প্রার্থী বি এম হারুন অর রশিদ তিন শতাধিক লোকজন নিয়ে এসে কেন্দ্র দখল করেন। এ সময় তাঁরা ১৫০টি ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেন। এর মধ্যে ১০০ ব্যালটে নৌকা প্রতীকে সিল দিয়ে সেগুলো ব্যালট বাক্সে ঢুকিয়ে দেন। বাকি ৫০টি ব্যালট ঢোকাতে ব্যর্থ হন। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের ওপর তাঁরা হামলা চালান। এ সময় কর্তব্যরত পুলিশ এগিয়ে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালান নৌকার সমর্থকেরা। পরে ভোট গ্রহণ স্থগিত করে দেওয়া হয়।’

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘নৌকার প্রতীকের প্রার্থী বি এম হারুন অর রশিদ নেতৃত্বে তিন শতাধিক লোকজন কেন্দ্রে প্রবেশ করে কেন্দ্র দখলে নেন। তাঁরা আমার ভাইসহ আমার সব এজেন্টেদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের দেন এবং ৩০০ ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি, র‍্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন