বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী মো. আল-আমিন বলেন, গতকাল নির্বাচনে তাঁদের প্রার্থী জয়ী হওয়ায় সাজাইল গ্রাম থেকে মিছিল বের করেন। হঠাৎ নৌকার ৫০ থেকে ৬০ জন সমর্থক তাঁদের মিছিলে হামলা করেন। এ সময় তাঁরা হুমকি দেন, নৌকার প্রার্থী হারলে কী হবে, তিনি তো উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাঁদের (মাহাবুবুলের সমর্থকদের) পরে আবার দেখে নেবেন।

এ বিষয় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গতকাল নির্বাচন হয়ে গেছে। জনগণ যাঁকে বেছে নিয়েছেন, তিনি জয়লাভ করেছেন। কিন্তু মাহাবুবুল তাঁর লোকজন দিয়ে তাঁর (জাহাঙ্গীর) বাড়িসহ সাত–আটটি বাড়ি ভাঙচুর করেছেন। তাঁর কর্মীদের ওপর হামলা করেছেন। তাঁর সাতজন কর্মী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

অন্যদিকে কাশিয়ানী ইউনিয়নের বুথপাশা ও পিংগুলিয়া গ্রাম এবং রাতইল ইউনিয়নের পাথরঘাটা ও ধানকোড়া গ্রামে নৌকা ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথিন্দ্র নাথ রায় বলেন, কিছু বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে সংখ্যা নির্ণয় করা যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, বিজিবি ও আর্মড ব্যাটালিয়ন নির্বাচন–পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন