বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ল্যাবরেটরির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এস এম হাসান এ লতিফ ও হামিদ আহমেদের বিরুদ্ধে কিটের গরমিল করার অভিযোগ ওঠে। তাঁরা দুজন বিভাগীয় ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবের স্টাফ। এই হাসপাতালের ল্যাব চালু করার জন্য ২০২০ সালের মার্চে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

হাসপাতালের ল্যাবরেটরির টেকনোলজিস্টরা এই দুই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্ধেক রিঅ্যাকশন ব্যবহার করে করোনা পরীক্ষার পর বাকি অর্ধেক সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কাগজপত্রে ৪৯ হাজার ৪০০ কিটের মধ্যে প্রায় সবই ব্যবহার করার প্রমাণ রাখা হয়। সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দুই বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এস এম হাসান এ লতিফ বলেন, অতিরিক্ত সম্মানী ছাড়াই ১৯ মাস ধরে এই দায়িত্ব পালন করেছেন। এত দিন তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেনি। ভুল–বোঝাবুঝির কারণে এমন অভিযোগ তোলা হয়ে থাকতে পারে। এর ভিত্তিতে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বেদনার।

জানতে চাইলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, তদন্ত কমিটি কাগজপত্রে কিটের কোনো গরমিল পায়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ীই তাঁরা কিট ব্যবহার করেছেন। উচ্চতর তদন্তের সুপারিশ করার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এটা সব তদন্ত কমিটির মুখস্থ ভাষা।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন