বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল হক বলেন, গ্রেপ্তার আসামি আজাদ হোসেনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে বরিশাল কেন্দ্রীয় করাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গৌরনদী পৌরসভার ওই অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন আজাদ হোসেন। তাঁর কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কিশোরীকে অপহরণের হুমকি দেন। একাধিকবার অপহরণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থও হন তিনি। অপহরণের চেষ্টার ঘটনায় মেয়েটির পরিবার থেকে গৌরনদী মডেল থানায় একাধিক জিডিও করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আজাদ হোসেন তাঁর সহযোগীদের নিয়ে মেয়েটি অপহরণ করেন। পরে আজাদ হোসেন তাঁর দুই সহযোগী মোর্শেদা আক্তার সোনাই ও খায়রুল সরদারের সহায়তায় মেয়েটিকে ধর্ষণের পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে দেন। ২ ফেব্রুয়ারি গৌরনদী উপজেলার সুন্দরদী মহল্লার একটি ডোবা থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের পেটের সঙ্গে রশি বাঁধা ও গলায় প্লাস্টিকের সুতলি প্যাঁচানো ছিল।

এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে হয়ে আজাদ হোসেন কালুকে প্রধান আসামি করে আটজনের নামে গৌরনদী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। কয়েক দিন পর আজাদ হোসেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে লেবাননে গিয়ে আত্মগোপন করেন।

অপহরণের পর ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল তদন্তের জন্য বরিশাল পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) দায়িত্ব পায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বরিশাল গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, মামলাটি তদন্তকালে ৩৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আজাদ হোসেনসহ তিন আসামিকে অভিযুক্ত করে ও পাঁচজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। অভিযোগপত্রে আজাদ হোসেনকে পলাতক দেখানো হয়েছিল। অভিযুক্ত অপর দুজন মোর্শেদা আক্তার ও খায়রুল সরদার জামিনে আছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন