default-image

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক তরুণের বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণ ও মুঠোফোনে ধর্ষণের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আরও কয়েক দফা ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ওই তরুণের নাম ওমর ফারুক সোহান (২২)। গতকাল বুধবার তাঁকে একমাত্র আসামি করে বোয়ালমারী থানায় ওই কিশোরীর মা মামলা করেছেন।

আসামি ওমর ফারুক আলফাডাঙ্গা উপজেলার একটি কলেজের সম্মান শ্রেণির ছাত্র। তাঁর বাড়ি বোয়ালমারী উপজেলায়।

আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিনি কয়েক দফা ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে মেয়েটি আর সাড়া না দেওয়ায় ওমর ফারুক তাঁর মুঠোফোনে থাকা আপত্তিকর ছবি এলাকায় ছড়িয়ে দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওমর ফারুক বেশ কিছুদিন ধরে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে ২ এপ্রিল সকাল পৌনে ৯টার দিকে নিজের ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে কিশোরীকে তিনি ধর্ষণ করেন। এ সময় ছবি তুলে রাখেন তিনি। ওই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিনি আরও কয়েক দফা ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে মেয়েটি আর সাড়া না দেওয়ায় ওমর ফারুক তাঁর মুঠোফোনে থাকা আপত্তিকর ছবি এলাকায় ছড়িয়ে দেন। পরে মেয়েটির মা বাদী হয়ে গতকাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি আইনের ধারায় ওমর ফারুককে আসামি করে মামলা করেন।

বিজ্ঞাপন

ওমর ফারুক পলাতক থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে তাঁর মা প্রথম আলোকে বলেন, যে তারিখের কথা বলা হচ্ছে (২ এপ্রিল), ওই সময় তিনি চট্টগ্রামে তাঁর স্বামীর কাছে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে বাড়িতে ফিরে জানতে পেরেছেন, ওই কিশোরী তাঁর বাড়িতে মাঝে মাঝে এসে থাকত।

মামলার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন