গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন মঈন ওরফে আন্নাফ (২০), তাঁর মা মোসা. বীথি (৩০) ও হাবিবি কুসুম ওরফে সাবা ঐশী (১৯)। তাঁরা সবাই সনি হত্যা মামলার আসামি। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানার প্রতাপ গ্রামের মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদের বাড়ি থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

এর আগে গত বুধবার রাতে ঢাকার শ্যামলী ও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মামলার ২ নম্বর আসামি নগরের হেতেমখাঁ এলাকার সোহেলের ছেলে মো. রাহিম (১৯) এবং ৪ নম্বর আসামি একই এলাকার শফিকের ছেলে মো. শাহীকে (১৯) গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এর আগে ৪ জুলাই রাতে মামলার ৮ নম্বর আসামি মো. আনিমকে (১৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর মঈনের মা বীথি রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর এলাকার খান বাংলা রেস্তোরাঁর মালিক খোকনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খোকন তাঁদের একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে দেন। ওই গাড়িতে আসামিরা গত মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ এবং পরের দিন বুধবার গাজীপুর হয়ে কুড়িগ্রাম চলে যান। কুড়িগ্রাম থেকেই তাঁদের আটক করে র‌্যাব।

আসামি মঈনের প্রাথমিক স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে র‍্যাব আরও জানায়, ঘটনার দিন মামলার আসামি মঈন, সিফাত ও হাবিবি কুসুম মিলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁদের বন্ধু হৃদয়কে দেখতে যান। সেখানেই সনির সঙ্গে দেখা হয় তাঁদের। পূর্বশত্রুতার জেরে সিফাত, রাহিম, শাহীসহ আরও কয়েকজন মিলে সনিকে নগরের হেতেখাঁ সবজিপাড়া এলাকায় তুলে নিয়ে যান। সেখানে ধারালো অস্ত্র কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। এরপরই তাঁরা দেশের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করেন।

নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, র‍্যাবের হাতে আটক তিনজনের মধ্যে মঈন প্রধান আসামি, তাঁর মা বীথি এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি আর হাবিবি কুসুম আসামিদের সঙ্গে একই অটোরিকশায় ছিলেন। তিনিও হত্যা মামলার একজন আসামি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন