বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ও কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিকসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা। জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের দাবি, পুলিশের গুলিতে আবদুল হালিম মারা গেছেন।

কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ইউপি নির্বাচনের দিন নিহত আবদুল হালিম বড়ঘোপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি, ব্যালট ছিনতাই কিংবা জালভোট প্রদানের ঘটনাও ঘটেনি। শান্ত পরিস্থিতি সত্ত্বেও পুলিশের একজন উপপরিদর্শক ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঠান্ডা মাথায় আওয়ামী লীগের নেতা আবদুল হালিমকে গুলি করে হত্যা করেন। তিনি আরও বলেন, আবদুল হালিম হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওমর হায়দার বলেন, আবদুল হালিম মারা যাওয়ার ব্যাপারে গতকাল রাত পর্যন্ত কেউ থানায় এজাহার দেননি। ভোটকেন্দ্রে গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টাকালে আবদুল হালিম নিহত হয়েছেন। তবে তিনি কার গুলিতে মারা গেছেন, তা তিনি (ওসি) জানেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন