এদিকে প্রার্থীর আবেদন করার দিন থেকেই কয়েকটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা তাঁদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচার–প্রচারণা শুরু করেন। মোটরসাইকেল মহড়াসহ পথসভা করতে থাকেন তাঁরা। অনেক প্রার্থীর কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পোস্টারসহ তাঁদের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে ছবি পোস্ট করছেন।

উপজেলার কয়া ইউপিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া জামিল, চাপড়া ইউপিতে মনির হাসান রিন্টু ও যদুবয়রা ইউপির মিজানুর রহমান, পান্টি ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজুর রহমান, জগন্নাথপুর ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল বাকী ও বাগুলাট ইউপরি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আলী হোসেনকে সতর্ক করে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শিরিনা আক্তার বলেন, প্রতীক বরাদ্দের আগেই ফেসবুকে প্রতীকের প্রচার, গাড়িবহর ও নির্বাচনী সভা করার বিষয়টি জানানোর পর ছয় চেয়ারম্যান প্রার্থীকে সর্তক করে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কার্যক্রম করলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।