বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই বলেছে, কুমিল্লায় কি কোরআন শরিফ পায়ের নিচে রাখা হয়েছে? মিথ্যা অপবাদ দিয়ে এ দেশের শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের উসকে দিয়ে একটা অপকর্ম করার পাঁয়তারা করেছে। যে করেছে, সে ধরা পড়েছে। সে একজন হেরোইন আসক্ত। এই হেরোইনখোরের ওখানে যাওয়ার কী দরকার পড়েছিল?’ তিনি বলেন, ‘সে পবিত্র কোরআন শরিফও বোঝে না, অন্য ধর্মের কিছু বোঝে না। তাকে কেউ না কেউ উসকিয়ে কোরআন হাতে দিয়ে বলেছে, ওই জায়গায় রেখে আসো। কোনো মুসলমান এটা করতে পারে না, করেনি। হিন্দু ধর্মের মানুষ এটা করতে পারে না, করেনি। যারা করেছে, তারা পরাজিত শক্তির একটি গ্রুপ, যারা বিভিন্ন সময় জাতির স্বার্থ বিনষ্ট করার জন্য এই অপকর্ম করে।’

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যখন নির্বাচন আসে, তখন ঘটনা ঘটানো শুরু করে তারা। তারা চায় না বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। তাদের প্রতিহত করা কোনো বিষয় নয়। আওয়ামী লীগ জনগণকে নিয়ে তাদের প্রতিহত করবে।

মো. ফরিদুল হক খান বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় যারা বিপক্ষে কাজ করেছিল, তাদের অনেকে আজও বিরোধিতা করে। বঙ্গবন্ধু বিশেষ একটি অংশকে রেখে বাকি সবাইকে মাফ করে দিয়েছিলেন। যাদের মাফ করে দিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে যারা আছে, তারাই ওই ঘটনায় জড়িত হতে পারে। তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সংলাপে বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ মোছলেম উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংলাপে এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আন্দরকিল্লা শাহি জামে মসজিদের খতিব সাইয়্যেদ তাহের জাবিরী আল মাদানী, দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মহসিন ভূঞা, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি উত্তম কুমার শর্মা, নগর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি আশীষ ভট্টাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত বড়ুয়া, পালক ক্রাইস্ট চার্চের রেভারেন্ড প্রমোষ চাম্বুগং প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন