বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার দুপুরে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার দুর্গাপুরে দি কুমিল্লা মোটর অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান কার্যালয়ে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। পরিবহনমালিক গাজী শাহজাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন পরিবহনমালিক ও দি কুমিল্লা মোটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম, সহসম্পাদক কামাল উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক খলিলুর রহমান, শ্রমিকনেতা শহিদুর রহমান, মফিজুল ইসলাম ও আনিসুর রহমান প্রমুখ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী কুমিল্লা ট্রান্সপোর্টের সব বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে কুমিল্লা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুটি পর্যন্ত সুগন্ধা পরিবহনের বাস চলাচলও বন্ধ থাকবে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুমিল্লা ট্রান্সপোর্ট ও সুগন্ধা পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, রয়েল সুপার সার্ভিস চট্টগ্রাম থেকে সিলেট রুটে বাস চলাচলের অনুমতি নিয়ে বাস নামায়। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জের জহির খান নামের এক পরিবহন ব্যবসায়ী ওই বাস নামান। কিন্তু বাস চলাচলের নীতিমালা লঙ্ঘন করে রয়েল সুপার সার্ভিস চট্টগ্রাম থেকে বাস না ছেড়ে কুমিল্লার ময়নামতি থেকে বাস সিলেটের উদ্দেশে ছাড়ে। এতে করে কুমিল্লা ট্রান্সপোর্ট ও সুগন্ধা পরিবহন যাত্রীসংকটে পড়বে। এ অবস্থায় রয়েল সুপার সার্ভিসের রুট পারমিট বাতিল করতে হবে। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন করা হবে।

মো. তাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে সিলেট রুটে যাত্রীদের সেবা দিয়ে আসছে কুমিল্লা ট্রান্সপোর্ট ও সুগন্ধা পরিবহন। প্রতিদিন অন্তত তিন হাজার যাত্রী তাদের সেবা নিয়ে থাকেন। ওই দুই পরিবহনের সঙ্গে ছয় শতাধিক শ্রমিক জড়িত, যাঁদের জীবন–জীবিকা ও সংসার চলে এ দুই পরিবহন ঘিরে। কিন্তু মাঝপথে একটি বাস যাত্রী পরিবহনের কারণে গোটা রুটের শৃঙ্খলা নষ্ট করছে।

রয়েল সুপার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী জহির খান বলেন, ‘আমি রুট পারমিট নিয়েই বাস পরিচালনা করছি।’ নীতিমালা লঙ্ঘন করে বাস চলাচল ও যাত্রী ওঠানো নিয়ে তিনি কোনো ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কুমিল্লা-সিলেট রুটে তিন চাকার বাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আছে। বাস বন্ধ থাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগের আশঙ্কা করছেন। জানতে চাইলে বিআরটিএ কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আবু আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন