বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত সোহেলের স্ত্রী শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।’ সোহেলের শ্বশুর হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘জনপ্রিয়তাই কাল হলো সোহেলের। ওরে পরিকল্পনা করে মারা হয়েছে।’

কাউন্সিলর সোহেলের একমাত্র ছেলে সৈয়দ মো. হাফিজুল ইসলাম, বড় মেয়ে কুমিল্লার ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনতাহা, ছোট মেয়ে কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিফতাউল জান্নাতের কান্না থামছে না।

সোহেলের বাড়িতে ঢোকার মুখে কথা হয় কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকউল্লাহ খোকন ও মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক জিএস সহিদের সঙ্গে। তাঁরা বলেন, এলাকায় সোহেলের কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নেই। মাদক নির্মূল, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার ছিলেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিম বলেন, গতকাল সোমবার রাতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। এই ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। লাশ দাফনের পর মামলা হবে। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

এদিকে সোহেলের সহযোগী হরিপদ সাহার মরদেহ সাহাপাড়া এলাকার বাসায় নেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার বিকেলে নগরের পাথুরিয়াপাড়ায় কাউন্সিলর মো. সোহেলের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন