বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার চার আসামিকে গত সোমবার আদালতের নির্দেশে পাঁচ দিনের রিমান্ডে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে আনা হয়। শুক্রবার তাঁদের রিমান্ড শেষ হয়। পরে তাঁদের বিকেলে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাঁদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবির উপপরিদর্শক মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, রিমান্ডে আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলোর বিশ্লেষণ চলছে। মামলার এজাহারভুক্ত ১১ নম্বর আসামি নগরের সুজানগর বউ বাজার এলাকার কানাই মিয়ার ছেলে রনিকে (৩২) গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আদালত, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ নভেম্বর বিকেলে কুমিল্লা নগরের পাথুরিয়াপাড়ায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তাঁর সহযোগী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। ৩ ডিসেম্বর মামলা স্থানান্তর করে ডিবির পরিদর্শক মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়াকে তদন্ত দেওয়া হয়।

এ পর্যন্ত মামলার এজাহারভুক্ত ১১ আসামির মধ্যে ৩ জন পুলিশের সঙ্গে ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন ও ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। একজন পলাতক। এজাহারভুক্ত আসামির বাইরে গ্রেপ্তার হওয়া নাজিম, রিশাত, রাব্বী ও ইমরানকে এই মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা প্রত্যেকে কারাগারে আছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন