বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১ নভেম্বর দুপুর ১২টার দিকে আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন ও বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হারুন অর রশিদের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় হারুনের সমর্থক মো. শাওন আহমেদের মাথায় গুলি লাগে। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। শাওনের বাড়ি মেঘনা উপজেলার বল্লবেরকান্দি গ্রামে। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন গুলিবিদ্ধ হন।

আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মেঘনার লুটেরচর মফিজুল ইসলাম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে মেঘনা থানায় একটি মামলা করেন। আর শাওনের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেন।

এদিকে একই দিনে মেঘনার খিরাচক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গোবিন্দপুর ইউপি সদস্য মনির হোসেন ও রতন মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় মনির হোসেনের বড় ভাই সানাউল্লাহ ঢালী (৬০) হৃদ্‌রোগে মারা যান। এ ঘটনায় মনির বাদী হয়ে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫ থেকে ২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন বলেন, এ মামলার সব আসামি জামিনে আছেন।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ছমিউদ্দিন বলেন, শাওন হত্যা মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন