বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ব্যক্তিরা বলছেন, মঈনউদ্দিন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মনিরুল হক সাক্কুর সহকারী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর সকালে কুমিল্লা নগরের নানুয়ারদীঘির পাড়ে পূজামণ্ডপ থেকে পবিত্র কোরআন উদ্ধার করা হয়। এরপর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা নগরের চারটি মন্দির, সাতটি পূজামণ্ডপে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ হয়। এ ঘটনায় ২৬ অক্টোবর নগরের নানুয়ারদীঘির উত্তর পাড়ে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে নির্মিত অস্থায়ী পূজামণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইন, বেআইনি জনতার অস্ত্রসজ্জিত হয়ে পূজামণ্ডপে ঢুকে জখম, ক্ষতি সাধন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ও শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টা করার অভিযোগে মামলা হয়। নানুয়ারদীঘির পাড় এলাকার বাসিন্দা তরুণ কান্তি মোদক বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওই মামলা করেন। এ মামলায় শনিবার রাতে তাঁকে সাজেক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রোববার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে কুমিল্লার আদালতে নেওয়া হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আনওয়ারুল আজিম বলেন, মঈনউদ্দিনকে সাজেক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর রিমান্ড চাওয়া হবে।

মেয়র মো. মনিরুল হক বলেন, ‘মঈনউদ্দিন ঘটনার দিন আমার সঙ্গেই নানুয়ারদীঘির পাড়ে ছিলেন। তাঁকে কেন ধরা হয়েছে? অন্যায় না করলে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হোক।’

মনিরুল হক আরও বলেন, ‘তিনি আমার সহযোগী না। তিনি আমার ব্যক্তিগত কাজ দেখাশোনা করেন। সার্বক্ষণিক আমার সঙ্গে থাকেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন