বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-২-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার লালবাগ এলাকা দিয়ে মাদকের বড় চালান পার হচ্ছে বলে জানতে পারে। এরপর র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দূর থেকে দেখতে পান, মাদক ব্যবসায়ীদের ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল কাঁধে করে মাদকের বস্তা নিয়ে মাঠ দিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় কর্তব্যরত টহল কমান্ডার তাঁদের থামতে বলেন ও নিজেদের র‍্যাব সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। কোনো উত্তর না দিয়ে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী দৌড়ে পালিয়ে যান এবং কয়েকজন অতর্কিতভাবে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকেন। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। এ সময় পিঠে ও কোমরে গুলিবিদ্ধ হয়ে র‍্যাবের করপোরাল সদস্য মো. রুবেল গাজী কুমিল্লার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন সদর দক্ষিণ উপজেলার লালবাগ এলাকার দেলোয়ার হোসেন (৪৯), একই এলাকার জগুপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (২৭), নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খারিজা গোলনা এলাকার মো. সাইদুল ইসলাম (২২), একই এলাকার হযরত আলী (২০) ও মশিউর রহমান (২১)।

গতকাল রাতে গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামি হলেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খারিজা গোলনা গ্রামের সবুজ ইসলাম (২০), একই জেলার ডিমলা উপজেলার সুন্দরখাতা গ্রামের শরীফ মিয়া (১৯) ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার তারাপুর গ্রামের রবিউল হাসান (২৫)।

এজাহারে উল্লিখিত পলাতক আসামিরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিরাহিমপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৩৭), একই উপজেলার জগুপুর গ্রামের হৃদয় হোসেন (২৫), কালিকাপুর গ্রামের মোতাহের হোসেন (৪০) ও মথুরাপুর গ্রামের জয়নাল মিয়া (৩১)। র‍্যাব বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাস্থল থেকে ৫৬ কেজি গাঁজা ও ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

র‍্যাবের ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-২ কুমিল্লার অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার আট আসামির মধ্যে সাইদুল ও হযরত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অন্য চার আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন