বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আনিছুর রহমান ভূঞা বলেন, ৭৮তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষা কার্যক্রম চালু ও হল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়া এবং অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম ও হলগুলো বন্ধের সময়সীমা ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারি সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। এরপর ৯ জানুয়ারি থেকে সব একাডেমিক কার্যক্রম যথারীতি চালু হবে

কুয়েট প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অধ্যাপক মো. সেলিমের আকস্মিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ৩ ডিসেম্বর কুয়েট সিন্ডিকেটের ৭৬তম সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম ও হলগুলো বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ওই দিনই ঘটনার তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটিকে ১০ দিনের মধ্যে সুপারিশসহ তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়। কিন্তু তদন্ত কমিটি ১৩ ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে পারেনি। এ সময় তদন্ত কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে সিন্ডিকেট সভায় ক্যাম্পাস বন্ধের সময়সীমা প্রথম দফায় ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

এদিকে গত ৩০ নভেম্বর কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ সেলিম হোসেন (৩৮) ক্যাম্পাসের পাশের ভাড়া বাসায় মারা যান। অভিযোগ উঠেছে, ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মীর মানসিক নিপীড়নের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড। অধ্যাপক সেলিমের পরিবারও এ ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন