default-image

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কুলাউড়া থানায় শিশুটির মা বাদী হয়ে প্রতিবেশী এক তরুণকে আসামি করে মামলা করেছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাড়ি উপজেলার জয়চণ্ডী ইউনিয়নের একটি গ্রামে। তার বাবা নেই। মা (৩৫) এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রতিদিনের মতো শিশুটিকে ঘরে একা রেখে তিনি কাজে বেরিয়ে পড়েন। ওই দিন বিকেলে বাড়ির সামনের রাস্তায় বেরোলে হৃদয় মিয়া (১৯) নামের প্রতিবেশী এক তরুণ তাকে ডাক দেন। একপর্যায়ে কলা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে পাশের দেয়ালঘেরা একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। এ সময় তিনি তাকে ধর্ষণ করেন। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে যায়। তবে মাকে এ ব্যাপারে কিছু বলেনি সে।

হৃদয় মিয়া (১৯) নামের প্রতিবেশী এক তরুণ তাকে ডাক দেন। একপর্যায়ে কলা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে পাশের দেয়ালঘেরা একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। এ সময় তিনি তাকে ধর্ষণ করেন।

ওই দিন রাতে ব্যথায় শিশুটি কাতরাতে থাকে। গায়ে জ্বরও ওঠে। এ অবস্থায় পরদিন ১২ ফেব্রুয়ারি তাকে স্থানীয় এক পল্লিচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তার মা। চিকিৎসক ব্যথানাশক কিছু ওষুধ দেন। এরপরও ব্যথা কমছিল না। এ দিকে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শিশুটি কেঁদে কেঁদে মাকে ঘটনাটি জানায়। এ কথা শুনে তার মা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে এ ব্যাপারে বিচার চান। খবর পেয়ে পুলিশ গত বুধবার রাতে এলাকায় অভিযান চালায়। তবে হৃদয়কে পাওয়া যায়নি। গতকাল রাত আটটার দিকে হৃদয়কে আসামি করে মামলা করেন শিশুটির মা।

বিজ্ঞাপন

কুলাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম আজ শুক্রবার দুপুরে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, আসামি পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা চলছে। নির্যাতনের শিকার শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার জেলা সদরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হৃদয় মিয়া পলাতক এবং তাঁর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে তাঁর এক স্বজনের মুঠোফোনের নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ করলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, বখাটে প্রকৃতির হওয়ায় তাঁদের সঙ্গে হৃদয়ের সম্পর্ক ভালো নয়। এর বেশি তিনি কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন