র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান–১২ (র‍্যাব) এ হত্যা মামলার ছায়া তদন্ত করছে। জানতে চাইলে র‍্যাব–১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ইলিয়াস খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা কাছাকাছি পৌঁছে গেছি। যেকোনো সময় এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে পারব।’

সাংবাদিক হাসিবুর রহমান নিখোঁজ এবং তাঁর লাশ উদ্ধারের পর থেকে কুষ্টিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। আজ বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। সেখানে বক্তারা হাসিবুর হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের এখনো গ্রেপ্তার না করতে পারায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ হত্যার বিচারের দাবিতে আগামীকাল বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেবেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, ৩ জুলাই রাত নয়টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের সিঙ্গার মোড়ে পত্রিকা অফিসে ছিলেন হাসিবুর। তখন মুঠোফোনে একটি কল পেয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যান। এর পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তাঁর মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে তাঁর পরিবার।

এর চার দিন পর গত বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকায় নির্মাণাধীন গোলাম কিবরিয়া সেতুর নিচে গড়াই নদ থেকে হাসিবুরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে হাসিবুর রহমানের চাচা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন