বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতি কুষ্টিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন প্রধান প্রথম আলোকে বলেন, পরিবহন ধর্মঘট চলার কারণে গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত মোকাম থেকে চালবোঝাই কোনো ট্রাক ছেড়ে যায়নি। মিল গেটে এখনো চালের দামে কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে এটা আরও দুই–একদিন অব্যাহত থাকলে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ফরমায়েশ করা চাল মোকাম থেকে পাঠানো যাচ্ছে না।

মিলারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খাজানগরে চার শতাধিক চালকল আছে। প্রতিদিন অন্তত দেড় শ (প্রতি ট্রাকে ১৫ টন) টন চাল দেশের বিভিন্ন জেলায় যায়। বর্তমানে প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট ২ হাজার ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধর্মঘটের কারণে ধানের ট্রাকও আসতে পারছে না। আর উৎপাদিত চালও কোথাও যাচ্ছে না। তেলের দাম বাড়ায় ট্রাক ভাড়া প্রতি ট্রিপে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজারের বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চালকল মালিক সমিতির আরেক অংশের নেতা ও চালকল মালিক ওমর ফারুক মনে করেন, এমনভাবে চললে বাজারে কৃত্রিম সংকট করতে পারেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। তাই বিষয়টি দ্রুত সুরাহা হলে সবার জন্য ভালো হয়। আর তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়ে যাবে, সে ক্ষেত্রে চালের বাজারে প্রভাব পড়তে পারে।

চালকল মালিক লিয়াকত হোসেন বলেন, এমন সময় তেলের দাম বাড়ল যখন চালকল মালিকেরা নতুন ধান কিনে তাঁদের ব্যবসা শুরু করার চিন্তা করছেন। মিলমালিকদের ধান কিনতে আগের থেকে বেশি অর্থের প্রয়োজন হবে। আবার সরকার আমন মৌসুমে যে ধান ও চাল কেনার চিন্তা করছে, তার ওপর একটা প্রভাব পড়তে পারে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন