বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, মন্দিরের জায়গা নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। আদালতে মামলাও চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। আরও তদন্ত চলছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে একই রাতে মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নে নফরকান্দি গ্রামে নফরকান্দি মহামায়া মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন বলেন, সকালে মন্দিরের সামনে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান, বেশ কয়েকটি মূর্তির মাথা ভেঙে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। দ্রুত খবর দিলে সেখানে পুলিশ যায়।

ওসি গোলাম মোস্তফা মন্দির কমিটির বরাত দিয়ে বলেন, রাত দেড়টা পর্যন্ত মন্দিরে লোকজন কাজ করেছেন। সেখানে সিসি ক্যামেরা ছিল। কিন্তু ক্যামেরা চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ওই রাতে ক্যামেরা খুলে বাড়ি নিয়ে যান মন্দির কমিটির এক সদস্য। দুর্গা, অশুরসহ কয়েকটি মূর্তির মাথা ভেঙে ফেলা হয়েছে। কেন বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ এ ঘটনায় কাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুত শনাক্ত করা যাবে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে একের পর এক প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে কুষ্টিয়া জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ। এই পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জয়দেব বিশ্বাস বলেন, কুষ্টিয়ায় এই বছর চারটি মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ায় আইকা সংঘ পূজামণ্ডপে প্রতিমা ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পরদিন থানায় মামলা হলেও ১২ দিন পরও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। যদিও ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শনাক্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাংসদ ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বিরুল আলম বলেন, আইকা সংঘের প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত একজনকে শনাক্ত করা গেছে। তবে সে পলাতক। ঢাকাসহ কয়েকটি জায়গায় তাকে ধরতে অভিযান চালানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন