বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ বছর আগে আদাবাড়িয়া গ্রামের ছাপাতন নামের এক নারীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে আবদুল জব্বারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর জব্বার শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। জব্বার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং অন্যত্র একাধিক বিয়ে করে ছাপাতনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অন্য স্ত্রীদের ভরণপোষণ করতেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ নিয়ে স্ত্রী ছাপাতনকে জব্বার প্রায়ই নির্যাতন ও মারধর করতেন।

২০১৩ সালের ২২ জুলাই রাতে ছাপাতনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। বাড়ির পাশের বাঁশবাগান থেকে পুলিশ ছাপাতনের লাশ উদ্ধার করে এবং জব্বারকে আটক করে। এ ঘটনায় নিহত ছাপাতনের ভাই আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে আবদুল জব্বারকে একমাত্র আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে জামিনে বের হয়ে জব্বার গা ঢাকা দেন।

কুষ্টিয়া আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আসামি আবদুল জব্বারকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন