বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মর্গের সামনে বসে ছিলেন নিহত মতিয়ার রহমানের মা হামিদা খাতুন ও কাশেমের ভাগিনা জবেদা খাতুন। তাঁরা জানান, বাড়ির পুরুষেরা ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। তাঁরা মর্গে লাশ নিতে এসেছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত। থানায় মামলা কখন হবে, বলা যাচ্ছে না। যত দ্রুত সম্ভব লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ১০ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

ঈদের আগের দিন সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংঘর্ষের সময় কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঝাউদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কেরামত উল্লাহ এবং আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ফজলুর রহমানের অনুসারীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন