default-image

দুর্বৃত্তদের হামলায় কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সদস্য মামুন অর রশিদ (৪০) ও তাঁর ছোট ভাই এনামুল হক আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রামে তাঁদের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত দুজনকে ওই রাতেই কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এনামুল হক বলেন, ভাদালিয়া বাজার থেকে নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে তাঁর ভাই গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। ওই গাড়ির পেছনে তিনি মোটরসাইকেলে ছিলেন। বাড়ি থেকে ৫০ গজ দূরে পৌঁছালে অতর্কিতভাবে ১৫-২০ জন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করে ও তাঁর ওপর হামলা চালায়।

এনামুল অভিযোগ করেন, হত্যার উদ্দেশ্যে এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা আবু বক্কর ও তাঁর লোকজন এ হামলা চালিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা তিনটি ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

বিজ্ঞাপন

হাসপাতাল সূত্র জানায়, মামুনের নাক-মুখে আঘাতের চিহ্ন আছে। এ ছাড়া এনামুলের মাথায় আঘাতের কারণে পাঁচটা সেলাই দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁরা শঙ্কামুক্ত।
হামলার অভিযোগ করে আবু বক্কর বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। রাতে বাড়িতেই ঘুমিয়ে ছিলাম।’

পুলিশ সূত্র জানায়, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে কুষ্টিয়া মডেল থানা-পুলিশের একটি দল যায়। তারা কারটি জব্দ করে স্থানীয় ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শওকত কবির বলেন, মামুনের সঙ্গে এলাকার কয়েকজনের দীর্ঘদিনের বিরোধ আছে। এলাকায় আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে এ বিরোধ। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত থানায় কোনো এজাহার জমা হয়নি। এ বিষয়ে এজাহার দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন