বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আইকা সংঘের সভাপতি প্রবীর কুমার সাহা বলেন, নয় বছর ধরে অস্থায়ীভাবে আইকা সংঘে স্থানীয় ৪৫ থেকে ৫০ জন তরুণ ও যুবক মিলে পূজার আয়োজন করেন। স্থানীয় প্রতিমাশিল্পী সমীর পাল গত সোমবার প্রতিমা বানানোর কাজ শেষ করেন। প্রতিমার মাটি শুকানোর কাজ চলছিল।

পূজামণ্ডপের পাশের বাড়ির বাসিন্দা সুচিত্রা সাহা বলেন, তিনি সকাল সাতটায় বাড়ির বাইরে বের হয়ে দেখতে পান সড়কের ওপর প্রতিমার অংশ পড়ে আছে। এরপর মণ্ডপের কাপড় সরিয়ে দেখতে পান ভেতরে প্রতিমা ভাঙচুর করা। তিনি অন্যদের ঘটনাটি জানান।

সরেজমিনে দেখা যায়, মণ্ডপে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই। এমনকি সেখানে কোনো নিরাপত্তাকর্মীও রাতের বেলায় থাকেন না। মণ্ডপের সামনে প্রতিমাশিল্পী সমীর পাল বলেন, অসুরের মাথা ভেঙে সড়কে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। কার্তিক, সরস্বতী, লক্ষ্মী ও দুর্গার মূর্তির মাথা ভেঙে ফেলা হয়েছে। দুর্গার নয়টি হাত ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। নতুন করে এখন প্রতিমা গড়া খুবই কঠিন কাজ।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার সবকিছু বের করা সম্ভব হবে।

কুষ্টিয়া পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি ও কুষ্টিয়া আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অনুপ কুমার নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, ‘যেভাবে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, এমন ভাঙচুর আমার জীবনে কুষ্টিয়া শহরে কখনো দেখিনি।’ তিনি জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন