যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ভোলার দৌলতখান উপজেলার চরপাতা গ্রামের মৃত হানিফের ছেলে জুয়েল আহসান (২৮), কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার ঠোঁটারপাড়া গ্রামের শুকুর মণ্ডলের ছেলে আলমগীর হোসেন (১৯) ও চরদিয়াড় গ্রামের মৃত শফি বিশ্বাসের ছেলে বজলু বিশ্বাস (৫৬)। রায় দেওয়ার সময় আলমগীর ও বজলু আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার প্রধান আসামি জুয়েল আহসান পলাতক।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৯ জুন ভেড়ামারা থানার পুলিশের একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা থেকে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি ফেনসিডিল নিয়ে লালন শাহ সেতু হয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছে। এরপর পুলিশের ওই টহল দল লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা টোলপ্লাজা গোলচত্বর এলাকায় অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে তারা সেখানে গাড়িটি থামায়। এরপর তারা গাড়ির চালকসহ তিনজনের দেহ তল্লাশি করে ২৯ বোতল ও গাড়ির বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও ১৯০ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করে।

এ ঘটনায় ওই তিনজনের বিরুদ্ধে উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাঁদের ভেড়ামারা থানায় সোপর্দ করেন। তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
কুষ্টিয়া আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অনুপ কুমার নন্দী বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দুই আসামিকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতক একজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন