বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগে আরও বলা হয়, কমিটি গঠনের পেছনে ঢাকায় বসবাসকারী ব্যবসায়ী কুষ্টিয়ার বাসিন্দা ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সরকারের হাত আছে। তিনি (জাকির) ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আঁতাত করে বিএনপিকে দুর্বল ও ধ্বংস করতে ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ভুল বুঝিয়ে ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি পাস করিয়েছেন।গতকাল বুধবার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত কুষ্টিয়া জেলা শাখা ছাত্রদলের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোজাক্কির রহমান রাব্বীকে আহ্বায়ক ও খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাতকে সদস্যসচিব করে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ১০ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, নতুন কমিটির ৩১ জন সদস্যের মধ্যে ১১ জন বিবাহিত ও ২ জন উপজেলা যুবদলের সদস্য। যাঁদের কমিটিতে রাখা হয়েছে, সেই আহ্বায়ক মোজাক্কির ও তসলিম উদ্দিনকে কোনো আন্দোলন–সংগ্রামে দেখা যায়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো মামলাও নেই। এই পকেট কমিটির বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতা কিছুই জানেন না।

আজ সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ঢাকা ও কুষ্টিয়ায় অন্তত ৯টি মামলা রয়েছে। এই মঞ্চে উপস্থিত সবার বিরুদ্ধেই বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলা করা হয়েছে। অথচ এই ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে পকেট কমিটি করা হয়েছে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিএনপি নেতা জাকির হোসেন সরকার ও নবগঠিত পকেট কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো।’

নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি কয়েক বছর ধরে তথ্য সংগ্রহ করে একটি কমিটি উপহার দিয়েছে। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো কথা হতে পারে না। সংবাদ সম্মেলনে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেসব সঠিক নয়। এ বিষয়ে কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটাই তিনি মেনে নেবেন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ সোহরাব উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, নবগঠিত ছাত্রদলের কমিটির বিষয়ে জেলা বিএনপি কোনো কিছুই অবগত নয়। যেভাবে কমিটি করা হয়েছে, সেটা সঠিক হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন