বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে ঝাউদিয়া কলেজ মাঠে নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের নিয়ে দলীয় সভার আয়োজন করা হয়। সমাবেশে আসা লোকজনকে খাওয়ানোর জন্য জহুরুলের বাড়িতে সকাল থেকে রান্নার আয়োজন চলতে থাকে। সেখানে গরু, খাসির মাংস ছাড়াও সবজি এবং ভাত রান্না করা হয়। কয়েকজন বাবুর্চি দিয়ে দুপুর পর্যন্ত রান্না চলে। সভা শেষে সেখানে কয়েক পদের খাবার দিয়ে সবাইকে আপ্যায়ন করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার এক ব্যক্তি বলেন, ‘সভায় আসা লোকজন ও ভোটারদের খাওয়ানোর জন্য জহুরুল ইসলাম দুপুরে এ আয়োজন করেন। সেখানে এলাকার অনেকেই এসে খেয়েছেন।’

default-image

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ‘নির্বাচন এলে যাঁরা মনোনয়ন পান, তাঁরা ভোটারদের আপ্যায়ন করে থাকেন। তারই অংশ হিসেবে জহুরুল ইসলামও তাঁর বাড়িতে ভূরিভোজের আয়োজন করেন। সেখানে এলাকার নেতা-কর্মীরা ছাড়াও বাইরে থেকে আসা অতিথি ও স্থানীয় বাসিন্দারা খেয়েছেন।’

এ বিষয়ে ঝাউদিয়া ইউপির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, ভোটারদের আকৃষ্ট করতে আইন ভঙ্গ করে নৌকার প্রার্থী ভূরিভোজ করিয়েছেন। সেখানে কয়েক শ মানুষ অংশ নিয়েছেন। নৌকার প্রার্থী হওয়ায় তিনি প্রভাব বিস্তার করতে এসব করছেন। বিষয়টি নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দেখা উচিত।

জানতে চাইলে চেয়ারম্যান প্রার্থী জহুরুল ইসলাম বলেন, তেমন কিছু নয়, কিছু মানুষের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শুধু প্রতিবেশী ও এলাকার লোকজনকে খাওয়ানো হয়েছে।

নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর কোনো প্রার্থী দলীয় সমাবেশ ও খাবারের আয়োজন, এমনকি টাকাপয়সা বিতরণ করতে পারবেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝাউদিয়া ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল মতিন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি সদর উপজেলার ঝাউদিয়াসহ ১১টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ২০ তারিখ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ হবে। ঝাউদিয়া ইউপিতে জহুরুল ইসলামসহ মোট নয়জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন