বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া শহরের পূর্ব মজমপুর এলাকার সাইদুল ইসলাম (৪০), হাউজিং এলাকার কামাল শেখ (৪৩), খোকসা উপজেলার মাঠপাড়া এলাকার ফারুক হোসেন (৪১) ও কুমারখালী উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামের মশিউল আলম (৪৩) এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন মনোয়ার হোসেন (৪১)।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা যায়, নূর মোহাম্মদের বাড়ি কুড়িগ্রামে। তিনি সদর উপজেলার সাবরেজিস্ট্রার ছিলেন। কুষ্টিয়া শহরের বাবর আলী রেলগেট এলাকায় বি সি স্ট্রিট সড়কের জনৈক হানিফ আলীর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাটে একাই ভাড়া থাকতেন। তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা ঢাকায় থাকতেন। ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর রাতে তাঁকে হত্যা করা হয়। পরদিন নূর মোহাম্মদের ভাই কামরুজ্জামান শাহ বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কয়েকজনকে শনাক্ত করে। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

কুষ্টিয়া মডেল থানার তৎকালীন পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার কণ্ডু ২০১৯ সালের ১৮ জানুয়ারি পাঁচজন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী প্রথম আলোকে বলেন, মামলাটি খুবই আলোচিত ছিল। আসামিদের প্রত্যেকের শাস্তি হয়েছে। এর মধ্যে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের মধ্য দিয়ে বাদীর পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন