বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঘোষিত ফলাফলে জানা যায়, গোস্বামী দুর্গাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত লাল্টু রহমান ৯ হাজার ৪০৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জাফর উল্লাহ ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ১২৯। উজানগ্রামে বিদ্রোহী প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন ৬ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলাউদ্দিন বিশ্বাস পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৬ ভোট। মনোহরদিয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৫১৫ ভোট।

হরিনারায়ণপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেহেদী হাসান ৭ হাজার ৪২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন পেয়েছেন ৬ হাজার ৮৩২ ভোট। আইলচারায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সিদ্দিকুর রহমান পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোতালেব হোসেন পান ৬ হাজার ৫১৭ ভোট। হাটশ হরিপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম মুশতাক হোসেন ৮ হাজার ৮৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুর রশিদ পান ৮ হাজার ২৯৬ ভোট।

ঝাউদিয়া ইউনিয়নে মেহেদি হাসান ৫ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী জহুরুল ইসলাম ৪ হাজার ৬২৪ ভোট পান। আলামপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আখতারুজ্জামান বিশ্বাস ৯ হাজার ৫০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী দাউদ হোসেন পান ৫ হাজার ৭৭৪ ভোট। বটতৈলে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান ওরফে মিন্টু ফকির ৮ হাজার ৬৮২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি–সমর্থিত আবদুল মজিদ পান ৬ হাজার ৩২ ভোট।

আবদালপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলী হায়দার ৫ হাজার ৫২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী গোলাম মোস্তফা পান ৪ হাজার ৯২০ ভোট। পাটিকাবাড়িতে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ রেজভি উজ্জামান ৪ হাজার ৯৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ সাইদুর রহমান পান ৩ হাজার ৭২৩ ভোট।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী বলেন, ফল বিপর্যয় হয়েছে, এটা মানতে হবে। তবে কেন কী কারণে এমন হলো, সেটা খুঁজে বের করা হবে। দলের ভেতর যদি কারও ইন্ধন বা কারসাজি থাকে, সেটা দেখে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন