default-image

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের শুলকুর বাজার এলাকায় পাকা সড়কে আশ্রয় নেওয়া আমেনা বেগম বলেন, ‘ঘরের ভেতর পানি ঢুকে চৌকি তলিয়ে গেছে। থাকার মতো অবস্থা না থাকায় ছেলেমেয়ে নিয়ে সড়কত আসি উঠছি।’

দুধকুমার নদের অববাহিকার ঘোগাদহ ইউনিয়নের চররাউলিয়ার আবদুল কাদের জানান, সবকিছু পানিতে তলিয়ে গেছে। আরেকটু পানি বাড়লে বিপদ হবে। গবাদিপশুর খাদ্যের তীব্র সংকট। বৃষ্টি ও বন্যায় পল (খড়) পচে গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো সহযোগিতা পাননি।

কুড়িগ্রাম পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ধরলার পানি বিপৎসীমার ওপর কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলেও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে দুটি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘গতকাল শনিবার যাত্রাপুরে বন্যাকবলিত মানুষের মধ্যে প্যাকেটে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। আমাদের কাছে ২৯৫ মেট্রিক টন চাল, ১১ লাখ টাকা, ১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ১৭ লাখ টন শিশুখাদ্য ও ১৯ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এগুলো বিতরণে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন