বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির দলনেতা রুমান ইমতিয়াজ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েই মৃত ডলফিনটিকে উদ্ধার করি। বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে দুপুর ১২টায় এটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।’

পরিসংখ্যান তুলে ধরে রুমান ইমতিয়াজ বলেন, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত কুয়াকাটা সৈকতে ৬টি মৃত ডলফিন ও ৬টি মৃত অলিভ রেডলি কচ্ছপ ভেসে এসেছে। এর আগে ২০২০ সালে ১৮টি ও ২০২১ সালে ২৪টি মৃত ডলফিন এ উপকূলে ভেসে এসেছে। মৃত জেলি ফিশসহ বেশ কয়েকটি রাজকাঁকড়াও বিভিন্ন সময় ভেসে এসেছে।

একের পর এক সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বন বিভাগ। তবে সুনির্দিষ্ট কারণ কেউ বলতে পারছে না। এ সম্পর্কে পটুয়াখালী জেলার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক ধারণা, এগুলো জেলেদের জালে আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে। তবে প্রাকৃতিক কোনো কারণে মারা যাচ্ছে কি না, তা-ও খুঁজে বের করা দরকার। এসব প্রাণীর মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করার জন্য বিজ্ঞানভিত্তিক কিছু করা যায় কি না, তা খুঁজে বের করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লিখেছি।’

আবদুল্লাহ আল-মামুন আরও বলেন, তাঁরা জানতে পেরেছেন, ডলফিন, কচ্ছপসহ সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় একটি গবেষণা প্রকল্প তৈরির কাজ চলছে। এ বছরের শেষ নাগাদ ওই প্রকল্পের মাধ্যমে সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় কাজ শুরু করা যাবে। গত বছর সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় জেলেসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল থেকেও কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী এলাকায় বন বিভাগের টহল বাড়ানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন