বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ সকালে রউফের নেতৃত্বে তাঁর ভাই আবদুল কুদ্দুসসহ ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল সেখানে গিয়ে বসতঘর উচ্ছেদ করে পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। শাহাদৎ হোসেনের বৃদ্ধ মা–বাবা বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও মারধর করে পানিতে ফেলা হয় বলে অভিযোগ।

কৃষক শাহাদৎ হোসেন আরও জানান, তিনি অন্যের জমিতে মজুরি খেটে বৃদ্ধ মা–বাবাকে নিয়ে কোনো রকমে টিকে আছেন। রউফ জনপ্রতিনিধি ও প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ঘটনার প্রতিবাদ করার সাহস পাননি। বসতবাড়ি উচ্ছেদের কারণে তাঁর আর্থিক ক্ষতিও হয়েছে।

ওই কৃষকের বসতঘর ভেঙে ডোবায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য আবদুর রউফ বলেন, তাঁর ভাই আবদুল কুদ্দুসের জমিতে বসতঘর করে বসবাস করছিলেন শাহাদতের মা–বাবা। অনেক বলার পরও দখল না ছাড়ায় উচ্ছেদ করতে বাধ্য হয়েছেন।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মতিন বলেন, তিনি ঘটনাটি জেনেছেন। ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন