উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে পাওয়া ফলাফল ঘেঁটে দেখা যায়, মায়ারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ১৬৩ জন। ভোট দিয়েছেন ১ হাজার ১৬১ জন। এর মধ্যে ছয়টি ভোট বাতিল হয়েছে। আর ১ হাজার ১৫৫ ভোটকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৈধ ঘোষিত সব ভোটই বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকের প্রার্থী হাসান মিয়া পেয়েছেন। বাকি ছয়জনের কোনো ভোট দেখানো হয়নি।

তবে এই ফলাফল মানতে পারছেন না মোরগ প্রতীকের সফিকুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার স্ত্রী শিরিনা, মা আম্বিয়া খাতুন, ছোট ভাই রফিকুলসহ আমি মোরগ প্রতীকে ভোট দিয়েছি। আমার ভোটটি গেল কোথায়? বিষয়টি ফলাফল ঘোষণার পরপরই জিজ্ঞেস করেছি। তখন ভোটকেন্দ্র থেকে জানানো হয়, আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় অন্য প্রার্থীদের শূন্য ভোট দেখানো হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হয়তো কোনো সুবিধা নিয়ে এমনটি করেছেন।’

তালা প্রতীকের প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের দুদিন আগে গ্রামের লোকজন একজনকে সিলেকশন করে। তাই ভোটকেন্দ্রে যাইনি।’ আপেল প্রতীকের প্রার্থী মো. আলমগীর জানান, তিনি ভোটকেন্দ্রে যাননি।

ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মিস্টার আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ফোন ধরেন তাঁর স্ত্রী শাহনাজ বেগম। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীর প্রতীকে ভোট দিয়েছি।’ পরক্ষণেই আবার তিনি বলেন, ‘এখানে একজনকে সিলেকশন করা হয়েছে। তাই ওই প্রতীকে (পাখা) ভোট দিয়েছি।’ অন্য দুই প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা ফোন ধরেননি।

মায়ারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ছিলেন মো. বেলাল। তিনি বলেন, তাঁরা (সদস্যপদে পরাজিত ছয় প্রার্থী) কোনো এজেন্ট দেননি। কেউ কোনো অভিযোগও করেননি। এখানে সুষ্ঠু ও সুন্দর ভোট হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন