বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

৫ জানুয়ারি যশোর সদর উপজেলা ও কেশবপুর উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আরবপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর আরশাদ আলী রহমান। আওয়ামী লীগের তিনজন বিদ্রোহী, বিএনপির দুজন প্রার্থীসহ মোট আটজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আনোয়ার হোসেনকে বলতে শোনা যায়, ‘জামায়াত-বিএনপির কোনো ভোটার ভোটের মাঠে উঠবে না। নৌকা মার্কার যারা ভোটার, শুধু তারাই ভোটের মাঠে উঠবে। আর যাঁরা মেম্বার (ইউপি সদস্য) প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের অনুরোধ করব, মেম্বার নির্বাচিত হবেন দয়া করে নৌকার ভোটে, জামায়াত-বিএনপির ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নাই।’

এরপর আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সেন্টার (ভোটকেন্দ্র) আপনারা দখল করবেন। কারা বিএনপি করে, কারা জামায়াত করে, এটা আপনারা কিন্তু প্রতিটা পাড়া-মহল্লায় চেনেন। জাতীয়ভাবে তারা (বিএনপি-জামায়াত) এই স্থানীয় সরকার নির্বাচন বয়কট করেছে। সুতরাং ভোটের মাঠে আসার অধিকার তাদের নাই। তারা যদি ভোটের মাঠে আসতে চায়, ফেরত দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেবেন।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আরবপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বাইরে যাঁরা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে থাকবে না। এই ওয়ার্ডে ৪ হাজার ২০০ জন ভোটার। এর মধ্যে কত ভোট দেবেন আপনারা?’ নেতা-কর্মীরা চার হাজার ভোট দেওয়ার কথা জানালে তিনি বলেন, ‘চার হাজার ভোট দেবেন, তাহলে কী আর বক্তব্য দেব?’

আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ‘আরেকটি কথা হচ্ছে, নৌকার ভোট সবাই ওপেন (প্রকাশ্যে) মারবে, নৌকার ভোট টেবিলে মারবে। মেম্বার ভোট বুথে যেয়ে মারবে। যার যার পছন্দের মেম্বার বুথে যেয়ে মারুক, তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নাই। বাট (কিন্তু) নৌকার ভোট সবাইকে ওপেন মারতে হবে।’

বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা মনোনয়ন না পেয়ে নৌকা প্রতীকের বিপক্ষের প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী মাঠে কাজ করছেন। সেটা বোঝার জন্যই আমি ওই বক্তব্য দিয়েছি, এটা সত্য। তবে আমার ২০ মিনিটের বক্তব্য কেটে কেটে জোড়া দিয়ে কয়েক সেকেন্ডে নিয়ে তারা ফেসবুকে ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে।’

যশোরের জ্যেষ্ঠ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো প্রার্থী অভিযোগ করেননি। তবে সাংবাদিকদের অনেকেই বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইছেন। তিনি বিষয়টি শুনেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন