বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নাসির হোসেন জিনজিরা ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোরগ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এলাকায় ব্যানার–পোস্টার লাগাতে গেলে কয়েকজন যুবক এসে তাঁর কর্মীদের বাধা দেন। এ সময় হুমকি দিয়ে এক যুবক বলেন, ‘কোথাও মোরগ মার্কার পোস্টার লাগানো যাবে না। তোদের মেম্বার প্রার্থীকে বলিস, সে যেন ভোটের দিন কেন্দ্রে না আসে। যদি আসে এর পরিণাম খুবই খারাপ হবে।’ পরে রাতে কে বা কারা আগের লাগানো ব্যানার-পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে।

ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোরগ প্রতীকে সদস্যপ্রার্থী নাসির হোসেন বলেন, ‘তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে আমিসহ ছয় প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমি প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকে আমার সমর্থকেরা নির্বাচনী এলাকায় ব্যানার–পোস্টার লাগাতে গিয়ে বাধা ও হুমকির শিকার হচ্ছেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্যানার–পোস্টার লাগাতে গেলে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন যুবক এসে আমার কর্মীদের বাধা দেন। এ সময় তাঁরা আমার লোকজনকে বলেন, ভোটের দিন আমি যাতে কেন্দ্রে প্রবেশ না করি। তাহলে আমার ক্ষতি করা হবে।’

নাসির হোসেন বলেন, ‘নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে আছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। আমার দাবি, জিনজিরা পীর মোহাম্মদ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে আমার ভোটকেন্দ্রে যাতে জনগণ সুষ্ঠুভাবে বাধাহীনভাবে ভোট দিতে আসতে পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।’

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল আজিজ বলেন, ‘ইউপি সদস্যপ্রার্থীর কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি থানা-পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পুলিশ তদন্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন