বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম হোসেন বলেন, সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দুই বোন ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন। এক বোন ভোট চেয়ে যেতে না যেতেই আরেক বোন এসে ভোট চাচ্ছেন। একই পরিবারের দুজন প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ায় তাঁদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যেও কৌতূহল রয়েছে।

বড় বোন আফরোজা এর আগেও ছোট বোন জান্নাতুলকে হারিয়ে ইউপির সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

খায়রুন্নেছা বেগম নামের এক গৃহবধূ বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা সদস্যপদে আপন দুই বোন প্রার্থী। একই পরিবারের দুজন প্রার্থী হওয়ায় আমরা চিন্তায় পড়ে গেছি। কাকে ভোট দেব, আর কাকে দেব না। তবে যিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ হবে, আমরা তাঁকেই ভোট দেব।’

মাইক প্রতীকের প্রার্থী আফরোজা ভুট্টো প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য কাজ করছি। জনগণ আমার সঙ্গে রয়েছে। আশা করছি, এবারের নির্বাচনেও বিপুল ভোটে বিজয়ী হব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি পুনরায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে নারী অধিকারসহ নির্যাতিত মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করব। এ ছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব।’

তালগাছ প্রতীকের প্রার্থী ফেরদৌস পুতুল বলেন, ‘গত ইউপি নির্বাচনেও আমি একই ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছিলাম। জনগণের সমর্থনে এবারও আমি প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি জনগণ এবার আমাকে নিরাশ করবে না। বিপুল ভোটে আমাকেই জয়ী করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করব। এ ছাড়া জনগণের স্বার্থে এলাকার সড়ক মেরামতসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়নমূলক কাজ করব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন