default-image

ভারতের কেরালার মতো করে সুন্দরবন ঘিরে ইকো–ট্যুরিজম গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। আজ সোমবার এক কর্মশালায় এসব কথা জানান বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কর্মকর্তারা। ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ওই কর্মশালায় বলা হয়, ইতিমধ্যে খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পর্যটন স্পট চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) জাবেদ আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিচালক (বিপণন, পরিকল্পনা ও জনসংযোগ) আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের এবং অতিথি বক্তা ছিলেন পর্যটন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহেদুল আলম। প্রশিক্ষণ সঞ্চালনা করেন সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) মো. বোরহান উদ্দিন।

ইউএসএআইডির আর্থিক সহায়তায় খুলনার দাকোপ উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় ইকো–ট্যুরিজম গড়ে তোলা হয়েছে। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।

কর্মশালায় বলা হয়, ইউএসএআইডির আর্থিক সহায়তায় খুলনার দাকোপ উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় ইকো–ট্যুরিজম গড়ে তোলা হয়েছে। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন বনের ওপর মানুষের চাপ কমছে, অন্যদিকে বনজীবীদের হয়েছে বিকল্প কর্মসংস্থান। শুধু তা–ই নয়, সমীক্ষা করে খুলনা অঞ্চলে কী ধরনের ট্যুরিজম করা যায়, সেটা নিয়েও কাজ করছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

বিজ্ঞাপন

কর্মশালায় বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ট্যুরিজম বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, খুলনা অঞ্চলে সুন্দরবনকেন্দ্রিক ট্যুরিজমের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ওই বনের ওপর চাপ পড়ে, এমনভাবে ট্যুরিজম করা যাবে না। তাই সমীক্ষা করে পর্যটক ধারণক্ষমতা ও পর্যটন এলাকা চিহ্নিত করা হবে। পরে সরকার অনুমতি দিলে ওই নীতি মানতে বাধ্য হবে বন বিভাগ। ট্যুরিজম বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, অন্যান্য যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে পর্যটকেরা অনেক নিরাপদে থাকতে পারেন। বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া পর্যটকদের হয়রানির তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

করোনাকালে ট্যুরিজম ব্যবসার করুণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, করোনার মহামারি ট্যুরিজম ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। এ খাতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই এখন বেকার হয়ে গেছেন। অনেকে ব্যবসা ছেড়েও দিয়েছেন। পরিস্থিতি ভালো হওয়ার দিকেই তাকিয়ে আছেন সবাই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন