default-image

যশোরের কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থীর দুই কর্মীকে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মীরা মারধর করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী আবদুস সামাদ বিশ্বাস।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত পৌনে আটটার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজিজুর রহমান ও কেশবপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহাদুল ইসলাম শহরের কালিবাড়ী সড়কে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে নির্বাচনী প্রচার করছিলেন। এ সময় নৌকা প্রতীকের কর্মী জামাল উদ্দীন, রিপন ও জুয়েলের নেতৃত্বে একদল যুবক তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা করে মারধর করেন। পরে তাঁদের মোটরসাইকেলে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ করলে রাতে কেশবপুর প্রেসক্লাবের সামনে ওই দুজনকে রেখে যাওয়া হয়।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও পৌর কমিটির সভাপতি আবদুস সামাদ বিশ্বাস বুধবার পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। আবদুস সামাদ বলেন, ‘আমাদের কর্মীদের নৌকা মার্কার কর্মীরা হুমকি–ধমকি দিচ্ছে। রাতে পৌরসভা সড়কে, ভোগতি, মধ্যকুল ও হাবাসপোল এলাকায় পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান মেয়র রফিকুল ইসলাম বলেন, ধানের শীষের কর্মীকে মারধর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সত্য নয়। পোস্টার ছেঁড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপির কোনো পোস্টার ছেঁড়া হয়নি; বরং হাবাসপোলে আমার পোস্টার ছিঁড়েছে বিএনপির কর্মীরা।’ বিএনপির প্রার্থী ভোট এলেই এভাবে ঢালাও অভিযোগ করেন বলেও জানান তিনি।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের কর্মী তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের বিষয়ে ফৌজদারি অপরাধে বিএনপির প্রার্থীকে থানায় মামলা করতে বলা হয়েছে। আর আচরণবিধির বিষয়ে যে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি কেশবপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২০ হাজার ৭৭৫ জন। মেয়র পদে অন্য প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল কাদের। কাউন্সিলর পদে ৩৮ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন