বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন বলেন, গতকাল রোববার দলের বর্ধিত সভায় এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমার পরে যাঁরা বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচন করবেন, তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। সে মোতাবেক তিনি ১০ জনকে বহিষ্কার করেছেন। সহযোগী সংগঠনের নেতাদের তিনি বহিষ্কার করতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাঁর এ এখতিয়ারও আছে।

আটটি ইউপিতে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন থেকে ১০ জন।

ত্রিমোহিনী ইউনিয়নে বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ত্রিমোহিনী ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান এবং ত্রিমোহিনী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম সুজন। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ ওহিদুজ্জামান।

সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল ইসলাম এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহাদত হোসেন। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ওলিয়ার রহমান।

বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নে বহিষ্কৃত হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য বর্তমান চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শামছুর রহমান।

মঙ্গলকোট ইউনিয়নে বহিষ্কৃত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আবদুল কাদের বিশ্বাস।

কেশবপুর ইউনিয়নে বহিষ্কৃত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন গৌতম রায়।
সুফলাকাটি ইউনিয়নে বহিষ্কৃত হয়েছেন এস এম মনজুর রহমান। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য। এই ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন গোলাম কিবরিয়া।

গৌরীঘোনা ইউনিয়নে বহিষ্কৃত হয়েছেন মাসুদুর রহমান। তিনি গৌরীঘোনা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক আহ্বায়ক। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন এস এম হাবিব।

সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন উত্তম ঘোষ। তিনি আওয়ামী লীগের ওই ইউনিয়ন কমিটির সদস্য। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন শামছুন্নাহার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন