বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেয়র আরও বলেন, ‘যেখানে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত একজন প্রার্থী ছিলাম, মেয়র ছিলাম, জেলা আওয়ামী লীগেরও সহসভাপতি ছিলাম, সেখানে আমার দলের একটি চক্র সাম্প্রদায়িক আইভী লেখা ব্যানার প্রতিটি পূজামণ্ডপে জোর করে লাগিয়েছে এবং সঙ্গে পাঁচ হাজার করে টাকা পাঠানো হয়েছে। এভাবে নারায়ণগঞ্জকে অস্থির করার চেষ্টা করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জকে জঙ্গি আস্তানার খেতাব দেওয়া হচ্ছে।’

মেয়র আইভী বলেন, এগুলো কে করছেন? তাঁরা নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ভেতরে ঘাপটি মেরে থেকে ব্যক্তিস্বার্থ দেখছেন। তিনি অভিযোগ করেন, যাঁর ব্যবসা নেই, তাঁর কোটি কোটি টাকা আয়। তাঁদের টাকার কোনো অভাব নেই। তাঁরা টাকা দিয়ে অনেক কিছু করতে পারেন। সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।

মেয়র আরও বলেন, ‘২০০৩ সালে যখন নির্বাচন করেছি, তখন সুবিধাভোগীরা এই শহরে ছিল না। আমি আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে নির্বাচন করেছি। ২০১১ ও ২০১৬ সালে কী পরিস্থিতি ছিল, সেটি আপনারা দেখেছেন। আমার ওপর কী পরিমাণ অত্যাচার করা হয়েছে। প্রতিদিন আমাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহভাজন হওয়ায় আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন করেছি, আপনাদের মেয়র হয়েছি। আগামী নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে ভালো মনে করবেন, তাকেই দল থেকে মনোনয়ন দেবেন। কিন্তু এভাবে একজন নারীকে হেনস্তা করা, যখন যা কিছু বলা—এভাবে নারায়ণগঞ্জের সুন্দর পরিবেশকে অশান্ত করার এই ধরনের অশুভ সংকেত দিচ্ছে কারা? তাঁরা কী এক আইভীকে ঠেকাতে গিয়ে জাতীয়ভাবে কোনো দুর্যোগ ডেকে আনছেন কি না?’

মেয়র আইভী বলেন, ‘আপনারা আমার নামে স্লোগান দেবেন না। আপনারা যেমন বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার কর্মী। আমিও তেমন কর্মী। এখানে নেতা বলে কেউ নেই। নেতা আমাদের বঙ্গবন্ধু, নেতা আমাদের শেখ হাসিনা।’

জেলা শ্রমিক লীগের নেতা আবদুস ছালামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মরিয়ম কল্পনা, জেলা শ্রমিক লীগের নেতা মাইনুদ্দিন আহমেদ, সবুজ শিকদার, হুমায়ুন কবির আখাতারুজ্জামান প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন