বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ থেকে ৭ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন ১৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এর আগে ৭ মে থেকে ওই কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়েছিল। সেটা সফল হওয়ায় আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরবরাহ শুরু হলো।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে, কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডের সাতটি কূপের মধ্যে দুটি থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছিল। বাকি পাঁচটি কূপ পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। ওই কূপ দুটি থেকে দৈনিক ২ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতো। এখন ৭ নম্বর কূপ থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে। সব মিলিয়ে গ্যাসক্ষেত্রটি থেকে ৪ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট গ্যাস প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। এ ছাড়া ৭ নম্বর কূপ থেকে গ্যাসের সঙ্গে উপজাত হিসেবে দৈনিক ২৫০ ব্যারেল কনডেনসেট উত্তোলন করা যাবে, যা থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন করা হবে।

২০১৬ সালে কৈলাশটিলার ৭ নম্বর কূপটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। ছয় মাস আগে কূপটিতে গ্যাস আছে ধারণা করে সন্ধান চালানো হয়। কূপের তিন হাজার মিটার গভীরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এর আগে কূপটির ৩ হাজার ১৫ মিটার গভীর থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছিল। ১৯৬২ সালে কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস পাওয়া যায়। ১৯৮৩ সাল থেকে এখানে উৎপাদন শুরু হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন